Monday, February 25, 2019

আসুন বাড়িতেই খুব সহজেই একটি FM Radio Station বা FM Jammer বানাই ৷

বিশেষ নোট:
এই টিকটির বিবৃত তথ্য ব্যবহার করে আপনি যদি কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে তার দায়ভার শুধুই আপনার। আমি Nirob Islam মনে করি এবং মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে অনলাইনের প্রতিটি তথ্য জানার নিরুঙ্কুশ স্বাধীন প্রতিটি ইউজারের রয়েছে। তাই এই টিউন শেয়ার করছি। যেটা করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন। আপনার বা আপনার পরিবারের কনো ক্ষতি হলে আমি বা Agunbd টিম কোন প্রকার ক্ষতির জন্য দায়ী থাকব না।

আসুন খুব সহজেই একটি FM Radio Station বানাই ৷



FM Radio সম্পর্কে তো আমরা সবাই জানি ৷
অনেকে অন্তত হলেও ভূত এফএম এর জন্য হলেও FM রেডিও শুনেন ৷ যদিও এখোন তেমনটা Fm প্রচলিত নয় তবুও  এফএম রেডিও শোনার মজায় আলাদা ৷
আজ আমি আপনাদের একটা সার্কিট বানাতে সেখাবো নাম FM Jammer বা FM Radio Station ; এই সার্কটি তথা ডিভাইসটি ব্যবহার করা যদিও অনৈতিক [ নিজের রিস্কে ব্যবহার করুন]

যদিও ইলেকট্রনিক্স-প্রেমী মানুষদের জন্য হলেও এটা একটা দারুন গ্যাজেট হিসেবে কাজ করবে।

FM Jammer বা Fm Station বলতে  আসলে কি ? 
এটা হলো এমন একটি ডিভাইস যার সাহায্যে  VHF (Very High Frequency) উৎপন্ন করে ডিভাইস পার্শ্ববর্তী এলাকাতে নিয়ত FM signa ব্লক করে দেয় এবং আপনার চলিত আওয়াজটিই শোনা যায় ৷

FM Jammer বা Radio Station  আসলে কী ভাবে কাজ করবে? 
নিম্নউক্ত সার্কটি তৈরী করে ব্যাটারি যুক্ত করুন; এ্যান্টেনাটি সঠিক জায়গায় প্রতিস্থাপন করতে হবে ৷ তাহলেই আপনার FM Jammer তৈরি । এবার আপনি আপনার FM রেডিও অন করুন এবং বিভিন্ন চ্যানেল টিউন করার চেষ্টা করুন, যদি টিউন না হয় এবং শো শো শব্দ করে তাহলে বুঝবেন যে আপনার সার্কিট’টি সফলভাবে কাজ করছে ইন্সাআল্লাহ ।



কাজের ধাপসমূহ ও যন্ত্রপাতি :-

১৷C1= 6pf C2=6-35 pf এটাকে ট্রিমার (প্রচলিত টিউমার) বলা হয় যা আসলে ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর ৷

২৷C3=0.01 uf (uf অর্থ মাইক্রো ফ্যারাড হতে হবে) C4=10 uf R1= 15k ohm R2=3.9k ohm

এখানে C হলো ক্যাপাসিটর [ মনে রাখবেন এগুলা সিরামিক ক্যাপাসিটর যে কনো ইলেট্রিক দোকানে গিয়ে কোড বলবেন। যেমন:-0.01uf এর কোড হলো ১০ ৷ এটা দিন ৷

৩।0. 01 uf সমান হলো 10000 pF (পিকো ফ্যারাড) এখানে 10 সংখ্যার পর বাড়ডি 3 টি পিন। এগুলা সাধারনত লালচে হলুদ কালারের হয়ে থাকে

৪। R হলো রেজিস্টার ৷যার কালার কোড অনুযায়ী কিনতে হয়, মনে রাখবেন এখানে সকল রেজিস্টার আমরা কোয়াটার ওয়াটের ব্যবহার করবো। Q1 হলো ট্রানজিস্টার যেটার ইমিটর,বেইজ ও কালেক্টর চিহ্নিত করে সংযুক্ত করতে হবে।

৫৷ L1 হলো কয়েল যা 16 mm কপার ইনসুলেটেড ওয়্যারকে 6 প্যাচ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে।এন্টেনা হিসেবে আপনি এলুমিনিয়াম দন্ড/ লম্বা কপার ওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।

৬৷9 ভোল্ট ব্যাটারি মাস্টবি।

ঠিক নিচের মতো সংযুক্ত করুন সংযুক্ত করুন :






পষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ৷

Sunday, February 24, 2019

বন্ধুদের সাথে মজা করুন ৷ বন্ধুদের সকল কল(Call)আপনার ফোনে নিয়ে আসুন ৷

বিশেষ নোট:
এই টিকটির বিবৃত তথ্য ব্যবহার করে আপনি যদি কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে তার দায়ভার শুধুই আপনার। আমি Nirob Islam(Site Admin) মনে করি এবং মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে অনলাইনের প্রতিটি তথ্য জানার নিরুঙ্কুশ স্বাধীন প্রতিটি ইউজারের রয়েছে। তাই এই টিউন শেয়ার করছি। যেটা করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন। আপনার বা আপনার পরিবারের কনো ক্ষতি হলে আমি বা Agunbd টিম কোন প্রকার ক্ষতির জন্য দায়ী থাকব না।

আপনার বন্ধুর সিমের সকল কল নিয়ে আসুন আপনার সিমে ৷
আস্লামুআলাইকুম-ওয়ারাহমাতুল্লাহ। কেমন আছেন সবাই,আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে আমিও ভালো আছি।

আজ আমি আপনাদের শেয়ার করব কিভাবে বন্ধু/প্রমিকার সিমের সকল কল আনবেন আপনার সিমে ৷ জাস্ট ছোট একটা প্রছেসে ৷

কিছু ধারনা :-
এটি সাধারনত কল ফরওয়াডিং সার্ভিস ।যে কোন সিমে এবং যে কোন সময় কলটি ফরওয়াড করা যাবে।
কল করার মত টাকা থাকতে হবে।
আর কল গুলো রিসিভ করলে ঐ সীমের কলরেট আনুসারে টাকা কাটবে। অথ্যাৎ দুই দিক থেকেই Google Duo তে যেমন MB কাটে টিক তেমনই দুই দিকই টাকা কাটবে ৷

কাজের ধাপসমূহ:-


১৷যখন আপনার বন্ধুর ফোনটি নেটওয়ার্ক এর বাইরে থাকবে তখন ফোনকল গুলো আপনার সিমে আনার জন্য
বন্ধুর/প্রমিকার ফোন থেকে ডায়াল **৬২* আপনার নাম্বর #
সার্ভিসটি বন্ধ করতে ডায়েল করতে হবে ##৬২#

২৷যখন নাম্বরটি ব্যাস্ত থাকবে তখন ফোনকল গুলো আপনার সিমে আনার জন্য


বন্ধুর/প্রমিকার ফোন থেকে ডায়েল করতে হবে **৬৭* আপনার নাম্বর #
সার্ভিসটি বন্ধ করতে ডায়েল করতে হবে ##৬৭#

৩৷যখন কলটি রিসিভ না করে তখন ফোনকল গুলো আপনার সিমে আনার জন্য

বন্ধুর/প্রমিকার ফোন থেকে ডায়েল করতে হবে **৬১* আপনার নাম্বর #
সার্ভিসটি বন্ধ করতে ডায়েল করতে হবে ##৬১#

৪৷সকল ফোনকল গুলো আপনার সিমে আনার জন্য
বন্ধূ/প্রমিকার ফোন থেকে ডায়েল করতে হবে **২১* আপনার নাম্বর #
সার্ভিসটি বন্ধ করতে ডায়েল করতে হবে ##২১#
সবগুলো সার্ভিস বন্ধ করতে ডায়েল করতে হবে ##০০২#

পষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ৷

[MEGA POST]বংলাদেশের সকল সিমের দরকারি কোডগুলো নিয়ে নিন একসঙ্গে ৷


আস্লামু-আলাইকুম ৷ অনেকে gp.robi.banglalink একসঙ্গে সকল  চায় ৷ তো আমি আজ হাজির হয়েছি এ পষ্ট নিয়েই ৷

সকল‌ সিমের USSD কোড


★★★ GrameenPhone ★★★

★ Balance Check : *566# ★ Show SIM Number : *2# ★ Package Check : *111*7*2# ★ Minute Check : *566*24# , *566*20# ★ SMS Check : *566*2# ★ MMS Check : *566*14# ★ Data (MB) Check : *566*10# , *567# ★ Call Me Back : *123* Number# ★ Net Setting Request : *111*6*2# ★ Miss Call Alert (On) : type START MCA & Send to 6222 ★ Miss Call Alert (Off) : Type STOP MCA & Send to 6222

★★★ Banglalink ★★★

★ Balance Check : *124# ★ Show SIM Number : *511# ★ Package Check : *125# ★ Minute Check : *124*2# ★ SMS Check : *124*3# ★ MMS Check : *124*2# ★ Data (MB) Check : *124*5# , *222*3# ★ Call Me Back : *126*Number# ★ Net Setting Request : Type ALL & Sent to 3343 ★ Miss Call Alert (On) : Type START & Send to 622 ★ Miss Call Alert (Off) : Type STOP & Send to 622

★★★ Robi ★★★

★ Balance Check : *222# ★ Show SIM Number : *140*2*4# ★ Package Check : *140*14# ★ Minute Check : *222*3# ★ SMS Check : *222*11# ★ MMS Check : *222*13# ★ Data (MB) Check : *222*81# , 8444*88# ★ Call Me Back : unknown ★ Net Setting Request : *140*7# ★ Miss Call Alert (On) : Type ON & Send to 8272 ★ Miss Call Alert (Off) : Type OFF & Send to 8272

★★★ Airtel ★★★

★ Balance Check : *778# ★ Show SIM Number : *121*6*3# ★ Package Check : *121*8# ★ Minute Check : *778*5#or*778*8# ★ SMS Check : *778*2# ★ MMS Check : *222*13# ★ Data (MB) Check : *778*39#or*778*4# ★ Call Me Back : *121*5# ★ Net Setting Request : *140*7# ★ Miss Call Alert (On) : *121*3*4# ★ Miss Call Alert (Off) : unknown

★★★ Teletalk ★★★

★ Balance Check : *152# ★ Show SIM Number : Type “Tar” & send to 222 ★ Package Check : unknown ★ Minute Check : *152# ★ SMS Check : *152# ★ MMS Check : *152# ★ Data (MB) Check : *152# ★ Call Me Back : unknown ★ Net Setting Request : Type SET & Send to 738 ★ Miss Call Alert (On) : Type REG & Send to 2455 ★ Miss Call Alert (Off) : Type CAN & Send to 245

Saturday, February 23, 2019

৪ হাজার টাকা দামের বার্নিং লেজার লাইট বাড়িতেই তৈরি করুন মাত্র ২০ টাকা খরজে ৷

বিশেষ নোট:
এই টিকটির বিবৃত তথ্য ব্যবহার করে আপনি যদি কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে তার দায়ভার শুধুই আপনার। আমি Nirob Islam মনে করি এবং মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে অনলাইনের প্রতিটি তথ্য জানার নিরুঙ্কুশ স্বাধীন প্রতিটি ইউজারের রয়েছে। তাই এই টিউন শেয়ার করছি। যেটা করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন। আপনার বা আপনার পরিবারের কনো ক্ষতি হলে আমি বা Agunbd টিম কোন প্রকার ক্ষতির জন্য দায়ী থাকব না।

লেজারলাইট আসলে কি?
বাচ্চাদের খেলনা লোজার লাইটে আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আর বর্নালীর বিকির্ণ মাধুরিতে আমরা মজা পাই কিন্তু বার্নিং লেজার লাইট হলো এমন একটা লেজার যার আলো নির্দিষ্ট ফোকাসে উক্ত বস্তুকে উত্তপ্ত করবে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দিবে এবং জ্বালিয়ে দিবে।
আসুন ঘরে বসেই এমন একটা বার্নিং লেজার লাইট বানাই…
যে জিনিসগুলো প্রয়োজন :
(১) লেজার ডায়োড ১ টা হলেই হবে ৷
(২) ভোল্টেজ রেগুলেটর আইসি LM317T ১ পিস আপাততো ৷
(৩) ১০০ ওহম পটেনশিওমিটার ১ পিস৷(না হলেও হবে )
(৪) ১০ ওহম রেজিস্টার দূই টিপিস
(৫)সাধারনত 1N4001 রেকটিফাইয়িং ডায়োড ১ পিস
(৬) 47uf 35v ক্যাপাসিটর একটি ৷
(৭) ৬ ভোল্ট পাওয়ার ব্যাটারি একটি 
(৮) সমান্য কিছু ওয়্যার ৷
নিচের সার্কিটের মতোন সংযুক্ত করুন :

বাড়িতে হলে তৈরি করার উপায়:-
সবার আগে পুরাতন ডিভিডি প্লেয়ার হতে লেজার ডায়োড আলাদা করে নিন। সাধারণত এটি আপনি ইলেকট্রনিক্স দোকান হতে কিনে  করে নিতে পারেন । 
যদি বাসায় নষ্ট সিডি থাকে তবে নিচে
মার্ক করা লাল বৃত্তের অংশটুকু খেয়াল করুন:














এরপর নিচের সার্কিটের মতোন সংযুক্ত করুন :

বাংলাদেশে Aqua MasterCard,Neteller,Payoneer কার্ড নিতে হলে যা যা করতে হয় ৷[Full Tutoroal]

প্রথমেই আসি

Aqua MasterCard +Neteller+Payoner

বিষয়ক সাধারন কিছু প্রশ্ন-উত্তর :-

১। এই কার্ডের মেয়াদ কতদিন?
২। কার্ডের ব্যালেন্স জানবেন কিভাবে?
৩। একসাথে সর্বোচ্চ কত ডলার পেমেন্ট করা যাবে?
৪। এই কার্ড পেতে কি আমার Eastern Bank এ একাউন্ট থাকতে হবে?
৫। ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলে বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে?
৬। কার্ড ব্যবহার করে কি আমি ATM থেকে টাকা তুলতে পারবো?
৭। এটা কি বিদেশে ব্যবহার করা যাবে?
এখোন আসি উত্তরে :-

ফ্রিল্যান্সিং  বা আর্ট ডেভলোপার শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা সব থেকে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম অনলাইন পেমেন্ট সমস্যা। পেপাল (PayPal) এর মত সার্ভিস বাংলাদেশে না থাকার কারনে আমরা যেমন অনলাইনে কষ্টার্জিত আয় দেশে আনতে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তেমনি দেশের বাইরে থেকে অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ আমাদের জন্য নেই বললেই চলে। কিছুদিন আগে পেপাল (Paypal) এবং জুম (Xoom) নিয়ে বাংলাদেশে অনেক বিতর্ক চলেছে এখোন ও বিদ্যামান, যদিও বা জুম এর মাধ্যমে শুধু পেমেন্ট বাংলাদেশে আনা সম্ভব কিন্তু দেশের বাইরে থেকে ফরেন কারেন্সীতে কোনো কিছু কেনাকাটা সম্ভব হয়ে ওঠে নি ৷
ব্যাংকগুলো থেকে ক্রেডিট কার্ড নেয়া অনেক সমস্যার ব্যাপার তাছাড়াও যেগুলো রয়েছে তাপাবলিকদের জন্য নয় ৷ কারন ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে আপনাকে বেশ ভালো বেতনের (প্রায় চল্লিশ হাজারের কাছাকাছি) একটি চাকুরি করতে হবে । এর বাইরেও অনেক কাগজপত্র এবং ডকুমেন্টস এর ব্যাপার থাকে। যার মানে যেকোনো ব্যাংকে একাউন্ট খোলা এবং ক্রেডিট কার্ড পাওয়া এক বিষয় নয়। ক্রেডিট কার্ডের খরচ সাধারন যেকোনো কার্ডের বেশি এবং এতে অনেক ধরনের গোপন চার্জ থাকে । তাছাড়া আপনি যখনই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট ব্যবহার করতে যাবেন তখন অবশ্যই পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করে নিতে হবে তাছাড়াও ব্লা ব্লা ব্লা তো আছেই । অর্থাৎ কার্ডের পাশাপাশি আপনার পাসপোর্ট ও থাকতে হবে বিশেষ ক্ষেত্রে।
আসি ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস......
ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস গুলোর মধ্যে নেটেলার, পেওনিয়ার বাংলাদেশে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা।
নেটেলার (Neteller) ২০১৬ সালের শেষের দিক থেকে বাংলাদেশে তাদের Net + কার্ড দেয়া বন্ধ রেখেছে।কিন্তু ২০১৯ সালের ক্ষেত্রে কিছুটা বেতিন্ত্রম ৷
পেওনিয়ার(Payoneer) ও ২০১৭ এর অক্টোবর-নভেম্বর এই ২ মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর কার্ড বাতিল করে দিয়েছে। এবং গত ২ মাস ধরে পেওনিয়ার কার্ড দেয়া চালু রাখলেও সেটার সংখ্যা খুবই সীমিত করেছে। এছাড়া কার্ডে এপ্লাই করতে হলে আপনার একাউন্টে আগে ১০০ ডলার থাকতে হবে। যদিওবা এখোন ২০১৯ সালে পেওনিয়ার কার্ড অনেকেই ফ্রি ওয়াডার দিচ্ছে ৷

এপর্যন্ত পড়ার পর আপানার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে পেমেন্ট নিয়ে চারিদিকে যখন এতো সমস্যা তখন সমাধান কি? এখন কথা বলবো সমাধান নিয়ে।
আপনি যদি কার্ড কিংবা অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখ্যীন হন সেক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন Eastern Bank এর Aqua Prepaid Card। এটি একটি ডুয়েল কারেন্সি Prepaid Master Card, এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে অনলাইন কিংবা অফলাইন যেকোনো পেমেন্ট আপনি করতে পারবেন। এটি পাওয়া একেবারে সহজ এবং খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়না।
চলুন প্রথমেই জেনে নেই Eastern Bank এর Aqua Prepaid Master Card পেতে কি কি প্রয়োজন হবে।
১। ২ কপি ছবি
২। ন্যাশনাল আইডি কার্ড কিংবা পাসপোর্টের ফটোকপি। (অরিজিনাল কপি সাথে নিতে হবে)
৩। কার্ড ফি ৫০০টাকা, ভ্যাট ৭৫টাকা (মোট- ৫৭৫টাকা)
৪। ডলার এনডোর্সমেন্ট এর জন্য পাসপোর্ট (অবশ্যই থাকতে হবে)
কিভাবে EBL Aqua MasterCard এর জন্য আবেদন করবেন.........
১। আপনার নিকটস্থ Estern Bank Limited এর কোনো ব্রাঞ্চে গিয়ে কার্ড ডিভিশন এ যোগাযোগ করুন সাথে প্রয়জনিয় জিনিস গুলো নিয়ে যাবেন । দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তিকে জানান যে আপনি Eastern Bank এর Aqua Prepaid Master Card নিতে আগ্রহী। তিনি আপনাকে বেশ কয়েকটি ফর্ম দিবেন। সবগুলো ফর্ম সতর্কভাবে পূরন করুন(Must Be)।
২। ফর্মগুলো পূরন করার সময় খেয়াল করবেন “E-commerce Enrollment Form” নামের ফর্মটি আপনি পূরন করছেন কিনা। কারন আপনি যেহেতু এটা দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করবেন তাই E-commerce Enrollment Form টি পূরন করা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক। এটা পূরন না করলে আপনি USD কারেন্সি তে পেমেন্ট করতে পারবেন না সুতরাং এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন ৷।
৩। সব ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর ভেরিফিকেশন এর জন্য পাচ বা সাত সময় লাগবে!
কিভাবে EBL Aqua Card এ ডলার রিচার্জ করবেন......
*ডকুমেন্টস সব ভেরিফাই হয়ে গেলে পাসপোর্ট এবং কত টাকা/ডলার রিচার্জ করতে চান সেটা নিয়ে ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনে চলে যান। প্রথমেই পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করিয়ে নিন। বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সার্কভুক্ত দেশে সর্বোচ্চ ৫০০০ USD এবং নন সার্ক দেশগুলোতে সর্বোচ্চ ৭০০০ USD এনডোর্স করতে পারবেন। কম করলেও সমস্যা নেই পরে
বাড়ানো যাবে।

লেখাটি ভালো লাগলে লাইক ও  শেয়ার করতে ভুলবেন না।

অনলাইনে আসলেই কী টাকা উপার্যন করা সম্ভব ? বিস্তারিত পষ্টে ৷

সবার আগে নিজের ভেতর কি যোগ্যতা আছে সেটা খুজে বের করুন:
(১) আপনি কি ওয়েবসাইট বানাতে পারেন (ফ্রি কিংবা প্রিমিয়াম ৷
(২) ওয়েবসাইট এসইও করতে জানেন তো সেটা থেকেও কিছু ইনকাম করতে পরেন ৷
(৩)ওয়েবসাইট ডেভলপ করতে পারেন ৷ ওয়েবে এড বসিয়ে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারেন ৷
(৪)ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন ৷ ব্লোগার টেমপ্লেট তৈরি কিংবা wordpress থীম তৈরি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন ৷

(৫) সফটওয়ার তৈরী করতে পারেন বা এপছ ডেভলোপার হয়ে বিভিন্ন ধরনের স্যভটওযার তৈরি করে দিয়েও ইনকাম করতে পারেন ৷
(৭) ভালো লেখালেখি করতে পারেন তবে চলে আসুন ব্লোগারে ৷ এখানে অথরদের প্রচুর ইনকামের ব্যেবস্থা রয়েছে ৷
(৯) কোডিং জানেন তাহলে বানিয়ে ফেলুন ডট exe ফাইন আর তা বিন্ত্রি করেও আর্ন করতে পারেন ৷
(১০) প্রোগামিং করতে পরেন
(১১) সোস্যাল মার্কেটিং করতে পারেন সেখানেও অনেক আর্নিং ত্রের সুবিধা রয়েছে ৷

স্বপ্ন দেখুন: আজকের দিনে GOOGLE কিংবা Facebook অথবা Apple এর প্রতিষ্ঠাতা’রা তাদের লাইফটা কীভাবে শুরু করেছিলো তা বিস্তারিত জানূন ৷

তাদের সবার শুরু গল্পটা ঐ একই “ছোট একটা স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না” তাহলে আপনি পারবেন নি ক্যেন ? "কেনই বা স্বপ্ন দেখতে কেন এতো ভয়??
সত্যটা হলো স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছা লাগে আর পূরণ করতে লাগে প্রচুর শ্রম ৷ এককালে কে এফসির প্রতিষ্ঠাতে প্রতিবেশীর নিকট ধার করে ফ্রাই বানিতে সেই ফ্রাই আবার প্রতিবেশীর দুয়ারে বিক্রি করে টাকা কামাতেন তাহলে আপনি কেনা পারবেন না কেন ?
আর কেএফির লোগোতে একটা বুড়া মানুষের ছবি দেখেছেন ঐ যে নিউটন?
তিনি জীবনের শেষদিকে কেএফসি শুরু করেছিলেন তাহলে আপনি কেন পারবেন না?
বয়স কখনো স্বপ্ন দেখার পথে কাটা নয়, হীনমন্যতা কাটিয়ে উঠুন!

পুলিশি হয়রানি থেকে বাচার কিছু কার্যকারি পদ্ধতি ৷

আজ অসাধারন একটি বিষয় সম্পর্কে লিখতে বসেছি ৷ যেটা সম্পর্কে সকলেরি অজানা ৷ আমরা জানি “পুলিশ জনগণের বন্ধু আর সন্ত্রাসের দুশমন” কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটা বেতিন্ত্রম হয়ে থাকে মাঝে মাঝে পুলিশি হয়রানি ও ভয় এড়াতেই আজ এই আর্টিকেল। 
[যদিও বাংলাদেশের সকল পুলিশ সদস্যই করাপটেড নয়, তবুও অনেক এমনো পুলিশ অফিসার আছেন যাদের দেখলে ভয়ে নয় শ্রদ্ধাতে আপনার মন ভরে উঠবে]।
★সালাম দিন(Take Salam): ধরুন আপনি একটু পাঙ্কু স্টাইলে রাস্তাতে হাটছেন ঠিক সেসময়ই একজন পুলিশ আপনাকে ডাক দিলো ,, মোটেই ভয় পাবেন না আবার এড়িয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করবেন না বরং শান্তভাবে এগিয়ে যান এবং সালাম দিন।অসলেই সালাম
জিনিসটা এমনি এক প্রকার অভিবাদন যাতে অপর পক্ষ নমনীয়(Normal Mode) হতে বাধ্য।
★ভুলেও  সমনা সমনি হলে দোড় দিবেন না :কখনোই পুলিশি জেড়াতে বা পুলিশের সাথে কথা বলার সময় নার্ভাস হবেন না কিংবা তাদের দেখে ভয়ে পালাবেন না এমনটা  মনে রাখুন “আপনার ভয়” আপনাকে পুলিশের চোখে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারে ।
★শান্ত থাকুন(Always) :

 যখন পুলিশের সাথে কথা বলবেন  কপাল ঘেমে যাওয়া, বারবার ঢোক গেলা কিংবা অসংগতিপূর্ন কথা বলা মাঝেমাঝে অস্বস্তিকর ভীতিজনক অঙ্গভঙ্গি করবেন না; নিজেকে শান্ত রাখুন। 

★গ্যাজেট ক্যান সেফ ইউর লাইফ: পুলিশ বলুন আর প্রসাশন বলুন সবকিছুই প্রমাণে বিশ্বাসী; মনে করুন একটা পুলিশ অফিসার আপনার নিকট ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে তাহলে আপনি কি করবেন? আপনি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা পুলিশ সুপারের নিকট জানালে অবশ্য প্রতিবিধান পেতে পারেন তবে তার জন্য তো প্রুফ প্রয়োজন তাইনা? এইজন্য স্পায়িং পেন ক্যামেরা জাতীয় গ্যাজেটগুলা আপনাকে সহায়তা করবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এমনো কিছু কিছু মোবাইল আছে যাতে স্ক্রিন অফ রেখেও যাতে R লিখলে তাতে অটোমেটিক রেকর্ড এমনকি স্ক্রিন অফ রেখে ভিডিও করা সম্ভব চেষ্টা করুন এমন জিনিসগুলো মনে রাখার ।
★অল্প সময় ভালো সম্পর্ক তৈরি: ধরুন সাধারন মানুষ, তবুও আপনার এলাকার থানা/পুলিশ ফাড়ির ১ বা দু  জন পুলিশ সদস্যের সাথে ব্যবহারে ভালো সম্পর্ক তৈরী করুন; সংক্ষেপে বলতে গেলে নাম জেনে রাখুন আর পারলে মোবাইলে সেটা সেইফ করে রাখুন। বিপদের সময় যদি কোন পুলিশ আপনাকে অপদস্থ বা হ্যারেজ করতে চায় তবে ঐসব নামের মানুষের উছিলাতে হয়তো মুক্তি পাবেন; মনে রাখুন “পুলিশ কখনো পুলিশ ঘাটায় না অযথা”!








★কিছু ক্ষেত্রে মাথা নিচু করে কথা বলবেন না: পুলিশের নিকট কখনোই ম্যানতা ম্যানতা করবেন না আর চেষ্টা আপনার বক্তব্য সংগত ভাষাতে পরিস্কার করে বলুন। পুলিশের প্রশ্নতে কখনোই চোখ মাটির দিকে তাকিয়ে উত্তর দিবেন না সর্বদা চোখ উচু করে সম্ভব হলে তাহার কপালের মাঝ বিন্দু বরাবর তাকিয়ে উত্তর দিন।

★একটা Thank You এবং একটু Smile


শেষে শুধু একটা কথায় বলবো “ভালো থাকুন; চিন্তা চেতনা সুন্দর করুন; লাইফটা এমনিই সুন্দর হয়ে যাবে”।

ইন্টারনেটের অন্ধকার যুগ কী ৷ Dark web দিয়ে কী কী কাজ হয় আলোচনা ও বিস্তারিত ৷

Dark বা ডিপ ওয়েব কীভাবে বা এটা আসলেই কী :
সাধানরনত Wiki এর মতে :- যে সকল সাইট জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত না, বা প্রতিষ্ঠাতা রা চান না সাইট গুলো কেউ সার্চ করে খুজে পাক সেগুলো কেই ডীপ ওয়েব বলে।
অন্য কথায় internet এ লুকায়িত ডাটাকেই Darkweb।

আসলেই এটার কাজ কি ?


১৷পাওয়া যায় ড্রাগস ২৷আর্মস ৩৷ চাইল্ড পূর্ন মুভি ৪৷বিভিন্ন রাসায়নিক দ্যব্যে ৷৪৷ এমনকি খুনি ইত্যাদি ইত্যাদি ৷
যদিওবা আপনি ভুল শোনেন নাই, একটা বিজ্ঞাপন দেখলাম একজন মুখস পড়া ব্যক্তি, হাতে একটা ভয়ানক ছোরা নিয়ে ছবি দিয়ে রাখছে, ক্যাপশন ” I Can Kill Anyone For Money” ।
আরেকটি বিজ্ঞাপন দেখলাম ইরাক যুদ্ধে ব্যাবহৃত শটগান ! বিক্রি করতে চাচ্ছে, তাও ওদের ভাষায় Cheap Rate এ ! পুরাই মাথানষ্ট মাম্মা !!

নানা রকম হ্যাকিং টিউটোরিয়াল, বিভিন্ন পাইরেটেড টুলস , ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যে কি নাই।



খাড়ান , আগে বুঝায় বলি ডিপ ওয়েব জিনিস টা কি।


অনলাইনে যা কিছু আছে তার পরিমান কল্পনা করা আমার ধারনার বাইরে, এর মধ্য কিছু লিখে সার্চ করলে যতগুলো আসবে তা ঘেটে দেখতে গেলেই আমার কবছর লাগবে নিজেও জানি না। যদিও এটা একটা বিষয় ৷

আরেকটি মজার বিষয় হলো মোট তথ্য বা ফাইলের শতকরা ১% নাকি আমরা দেখতেছি বাকি ৯৯% ই লুকানো অবস্থায় থাকে। এগুলোই হলো ডার্কওয়েবের জিনিষ পত্র পত্রাদি ৷


গুলোল darkweb এ পৌছায় কতটুকু?

জেনে অবাক হয়ে যাবেন যে আপনি যখন কোন বিষয়ে সার্চ দেন আর গুগল তার লক্ষ লক্ষ ফলাফল আপনার সামনে হাজির করে তা ইন্টারনেটে থাকা মোট তথ্যের মাত্র ১০ শতাংশ থেকে প্রাপ্ত! অর্থাৎ গুগল অনলাইনের মোট তথ্যের ৯০ শতাংশ জানে না! এলেমে থাকা মাত্র ১০ শতাংশের মধ্যেই সার্চ দিয়েই সে তার ফলাফলকে গ্রাহকের সামনে হাজির করে। বাকি ৯০ শতাংশ চিরকালই আপনার অজানা থেকে যাবে কী আর্চয়ের বিষয় ৷
প্রকৃতপক্ষে এই দৃশ্যমান নেট হল মহাসাগরে ভেসে থাকা এক খন্ড হিমবাহ আর ডীপ ওয়েব হল মহাসাগর খোদ নিজে!

Short Cut:-

খুব সহজ ভাবে উপস্থাপন করতে গেলে Dark ওয়েবেকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়, আর তা হলঃ 1. The Dark ঔয়েব 2. The Deep ওয়েব
এ দুটোই নিয়ে পরবর্তি পষ্টে আলোচনা হবে ৷

আরো ভালোভাবে বলতে গেলে ?

আপনার খাটের তলায় ইট দেয়া না লোহা দেয়া তা তো আমার জানার কথা না, সেটা তো থাকে ঢাকা, সেটারে দেখতে হলে আমারে বিছানার পর্দা ওঠাতে হবে । তেমনি ধরেন আমেরিকার একটা সাইট আছে, যেটাতে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন মিসাইলের তথ্য, কেমনে ব্যাবহার করা হবে, কই ফেলা যাবে, এসব রাখা আছে। আমেরিকান সরকার কি চাবে যে কেউ খুজে পাক সেই তথ্য ? উহু, সেটারে রাখা হবে অন্ধকারে, বা ডার্ক ওয়েবে। বুঝছেন ?

খারাপ দিক(Bad Site)

বেয়াইনী জিনিষ পত্র অনেক টা খোলাখুলি ভাবেই রাখা হয় এখানে । অস্ত্র, বোমা বানানোর সিস্টেম, মাদক দ্রব্য সব যদি অনলাইনে কিনেই নিতে পারেন ৷ খুব সুরক্ষিত তথ্য বা কপিরাইট প্রটেক্টেড অনেক কিছুই এখানে পাওয়া সম্ভব। কম্পানীর কিছু করার নাই, কার নামে মামলা করবে ? এটা হলো ডিপ ওয়েব। এখানে যারা কাজ করেন মোটামুটি সবাই খুব উচু মানের প্রোগামার অন্যদিকে ওখানে Youtube এর মত নাম গুলো ব্যাবহার করা হয় না, ব্যাবহার করা হয় না কোনো .com .net ডোমেইন সথে সাথে এখানের সব যেহেতু লুকিয়ে রাখা, সো আন্দাজ করে কোন সাইটে ঢোকা অসম্ভব অনেক ক্ষেত্রেই। ব্যাবহৃত হয় .onion নামে ডোমেইন, সাইট গুলোর এ্যাড্রেস হয় tef3bpi1.onion এরকম । বুঝেন ঠ্যালা !

কিছু দরকারী দিকও রয়েছে এতেঃ

গোপনীয়তা বজায় রাখতে কোন বিকল্প নাই। সরকারী গোপন তথ্য রাখতে সাহায্য করে।

ভালো দিকসমূহঃ

যাদের শেখার আগ্রহ আছে, হ্যাকিং, প্রোগামিং, টিপস, এ সম্পর্কে অঢেল লেখা, তাও সেরা মানের প্রোগামার দের।
ডার্ক ওয়েব ( Dark Web ) বা ইন্টারনেট এর কালো জগত পর্বঃ২ এ আলোচনা হবে নটুন আপডেট বিষয় নিয়ে Tor & Orbot এর আলোচনা ৷ ধন্যবাদ ৷ All The Best ৷