Message ME

বাংলাদেশে Aqua MasterCard,Neteller,Payoneer কার্ড নিতে হলে যা যা করতে হয় ৷[Full Tutoroal]

প্রথমেই আসি

Aqua MasterCard +Neteller+Payoner

বিষয়ক সাধারন কিছু প্রশ্ন-উত্তর :-

১। এই কার্ডের মেয়াদ কতদিন?
২। কার্ডের ব্যালেন্স জানবেন কিভাবে?
৩। একসাথে সর্বোচ্চ কত ডলার পেমেন্ট করা যাবে?
৪। এই কার্ড পেতে কি আমার Eastern Bank এ একাউন্ট থাকতে হবে?
৫। ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলে বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে?
৬। কার্ড ব্যবহার করে কি আমি ATM থেকে টাকা তুলতে পারবো?
৭। এটা কি বিদেশে ব্যবহার করা যাবে?
এখোন আসি উত্তরে :-

ফ্রিল্যান্সিং  বা আর্ট ডেভলোপার শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা সব থেকে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম অনলাইন পেমেন্ট সমস্যা। পেপাল (PayPal) এর মত সার্ভিস বাংলাদেশে না থাকার কারনে আমরা যেমন অনলাইনে কষ্টার্জিত আয় দেশে আনতে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তেমনি দেশের বাইরে থেকে অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ আমাদের জন্য নেই বললেই চলে। কিছুদিন আগে পেপাল (Paypal) এবং জুম (Xoom) নিয়ে বাংলাদেশে অনেক বিতর্ক চলেছে এখোন ও বিদ্যামান, যদিও বা জুম এর মাধ্যমে শুধু পেমেন্ট বাংলাদেশে আনা সম্ভব কিন্তু দেশের বাইরে থেকে ফরেন কারেন্সীতে কোনো কিছু কেনাকাটা সম্ভব হয়ে ওঠে নি ৷
ব্যাংকগুলো থেকে ক্রেডিট কার্ড নেয়া অনেক সমস্যার ব্যাপার তাছাড়াও যেগুলো রয়েছে তাপাবলিকদের জন্য নয় ৷ কারন ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে আপনাকে বেশ ভালো বেতনের (প্রায় চল্লিশ হাজারের কাছাকাছি) একটি চাকুরি করতে হবে । এর বাইরেও অনেক কাগজপত্র এবং ডকুমেন্টস এর ব্যাপার থাকে। যার মানে যেকোনো ব্যাংকে একাউন্ট খোলা এবং ক্রেডিট কার্ড পাওয়া এক বিষয় নয়। ক্রেডিট কার্ডের খরচ সাধারন যেকোনো কার্ডের বেশি এবং এতে অনেক ধরনের গোপন চার্জ থাকে । তাছাড়া আপনি যখনই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট ব্যবহার করতে যাবেন তখন অবশ্যই পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করে নিতে হবে তাছাড়াও ব্লা ব্লা ব্লা তো আছেই । অর্থাৎ কার্ডের পাশাপাশি আপনার পাসপোর্ট ও থাকতে হবে বিশেষ ক্ষেত্রে।
আসি ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস......
ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস গুলোর মধ্যে নেটেলার, পেওনিয়ার বাংলাদেশে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা।
নেটেলার (Neteller) ২০১৬ সালের শেষের দিক থেকে বাংলাদেশে তাদের Net + কার্ড দেয়া বন্ধ রেখেছে।কিন্তু ২০১৯ সালের ক্ষেত্রে কিছুটা বেতিন্ত্রম ৷
পেওনিয়ার(Payoneer) ও ২০১৭ এর অক্টোবর-নভেম্বর এই ২ মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর কার্ড বাতিল করে দিয়েছে। এবং গত ২ মাস ধরে পেওনিয়ার কার্ড দেয়া চালু রাখলেও সেটার সংখ্যা খুবই সীমিত করেছে। এছাড়া কার্ডে এপ্লাই করতে হলে আপনার একাউন্টে আগে ১০০ ডলার থাকতে হবে। যদিওবা এখোন ২০১৯ সালে পেওনিয়ার কার্ড অনেকেই ফ্রি ওয়াডার দিচ্ছে ৷

এপর্যন্ত পড়ার পর আপানার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে পেমেন্ট নিয়ে চারিদিকে যখন এতো সমস্যা তখন সমাধান কি? এখন কথা বলবো সমাধান নিয়ে।
আপনি যদি কার্ড কিংবা অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখ্যীন হন সেক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন Eastern Bank এর Aqua Prepaid Card। এটি একটি ডুয়েল কারেন্সি Prepaid Master Card, এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে অনলাইন কিংবা অফলাইন যেকোনো পেমেন্ট আপনি করতে পারবেন। এটি পাওয়া একেবারে সহজ এবং খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়না।
চলুন প্রথমেই জেনে নেই Eastern Bank এর Aqua Prepaid Master Card পেতে কি কি প্রয়োজন হবে।
১। ২ কপি ছবি
২। ন্যাশনাল আইডি কার্ড কিংবা পাসপোর্টের ফটোকপি। (অরিজিনাল কপি সাথে নিতে হবে)
৩। কার্ড ফি ৫০০টাকা, ভ্যাট ৭৫টাকা (মোট- ৫৭৫টাকা)
৪। ডলার এনডোর্সমেন্ট এর জন্য পাসপোর্ট (অবশ্যই থাকতে হবে)
কিভাবে EBL Aqua MasterCard এর জন্য আবেদন করবেন.........
১। আপনার নিকটস্থ Estern Bank Limited এর কোনো ব্রাঞ্চে গিয়ে কার্ড ডিভিশন এ যোগাযোগ করুন সাথে প্রয়জনিয় জিনিস গুলো নিয়ে যাবেন । দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তিকে জানান যে আপনি Eastern Bank এর Aqua Prepaid Master Card নিতে আগ্রহী। তিনি আপনাকে বেশ কয়েকটি ফর্ম দিবেন। সবগুলো ফর্ম সতর্কভাবে পূরন করুন(Must Be)।
২। ফর্মগুলো পূরন করার সময় খেয়াল করবেন “E-commerce Enrollment Form” নামের ফর্মটি আপনি পূরন করছেন কিনা। কারন আপনি যেহেতু এটা দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করবেন তাই E-commerce Enrollment Form টি পূরন করা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক। এটা পূরন না করলে আপনি USD কারেন্সি তে পেমেন্ট করতে পারবেন না সুতরাং এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন ৷।
৩। সব ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর ভেরিফিকেশন এর জন্য পাচ বা সাত সময় লাগবে!
কিভাবে EBL Aqua Card এ ডলার রিচার্জ করবেন......
*ডকুমেন্টস সব ভেরিফাই হয়ে গেলে পাসপোর্ট এবং কত টাকা/ডলার রিচার্জ করতে চান সেটা নিয়ে ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনে চলে যান। প্রথমেই পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করিয়ে নিন। বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সার্কভুক্ত দেশে সর্বোচ্চ ৫০০০ USD এবং নন সার্ক দেশগুলোতে সর্বোচ্চ ৭০০০ USD এনডোর্স করতে পারবেন। কম করলেও সমস্যা নেই পরে
বাড়ানো যাবে।

লেখাটি ভালো লাগলে লাইক ও  শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Post a Comment

1 Comments

Say Whats Happed ?